Friday, January 6

প্রিয় পাঠক




প্রিয় পাঠ

আমাদের পত্রিকা দপ্তরের পাশেই ' বাউনা ' নামে একটি পুকুর আছে.
স্থানীয় বীরসিংহ গ্রাম পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে সেটি সংস্কার করার কাজ শুরু হচ্ছে. ১০০ দিনের কাজের কর্মসূচি. যা এন.আর.ই.জি.এ. অন্তর্ভুক্ত. বহু মানুষ কাজ পাবে এখানে.
কয়েক লক্ষ টাকার কর্মসূচি. মানুষের উত্সাহ চোখে পড়ার মতো. তবে বিভিন্ন আড্ডা জটলার মধ্যে ঢুকে পড়ে একটা অদ্ভুত মন্তব্য প্রায় সব আলোচনা থেকেই শুনছি, যা যথেষ্ট উদ্বেগের বলেই আমার মনে হয়. মন্তব্য: দু-চার ঝোড়া মাটি বিশ্রামের আগে আর ফিরে এসে দুচার ঝোড়া ...ব্যাস. কাজ সারা. সরকারী কাজ তো.... মাপজোকে সব মেক আপ হয়ে যাবে."
সত্যিই কি সরকারী কাজ এমনটাই হয়? সরকারকে সর্বত্র এভাবেই কি ফাঁকি দেয়া হয় ? হ্যাঁ হয়. আমি নিজে চাকুরী সুত্রে লক্ষ্য করেছি বেশকিছু মানুষ থাকেন যারা এরকম বিকৃত মানসিকতার হন. তারা সংখ্যাই বেশি. আর যারা সত্যিকারের কাজের লোক হন তাদের কাজে বাধাসৃষ্টি ও বিরুদ্ধাচরণ করা কর্তব্য বলে মনে করে এইসব মানুষরা. কিন্তু সমস্যা হল এই মানসিকতা ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র.
সরকারকে ফাঁকি দিয়ে যে নিজেদেরকেই ফাঁকি দেওয়ার পাকা ব্যবস্থা করে ফেলছেন তারা, সেই বোধটাই হারিয়ে ফেলেছে আমাদের সমাজ. যে পুকুরটি কাটা হবে সেই পুকুরটি ঠিকঠাক কাটা হলে সরকারকে ফাঁকি যেমন দেওয়া হবে না. তেমনি চারপাশে ভালোভাবে মাটি পড়লে বসবাসের উপযুক্ত হবে. বর্ষায় সমস্যা কম হবে. চারপাশে সরকার থেকে গাছ লাগানো হবে. পরিবেশ রক্ষা হবে. এতে সকলেরই ভালো. এটা বোঝাতে গিয়েও পড়তে হচ্ছে সমস্যায়. তো চারপাশের এতকিছু সমস্যা নিয়েই আমাদের বেঁচে থাকা.
 

 প্রধান পাতায় ফিরুন 
English

No comments:

Post a comment